Header Ads

  • Breaking News

    ছাড় দেবেন না স্মিথ


    অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের চরম ক্রান্তিকালে তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে। ভিডিও কনফারেন্সে এসিএর সভায় যোগ দিলেও এত দিন সরাসরি কিছু বলেননি স্টিভেন স্মিথ। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দ্বন্দ্ব নিয়ে মুখ খুললেন গতকালই প্রথম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক জানিয়েছেন ছাড় না দেওয়ার কথা, ‘ছেলেরা অনেক দিন ধরে যেটা বলে আসছিল সেটা হলো, আমরা লভ্যাংশ ভাগাভাগির অংশটি ছাড় দেব না কোনোভাবে। তবে খেলাটার স্বার্থে এসিএ কিছু বদলের কথা বলেছে, যেখানে বর্তমান মডেলকে আরো উন্নত করতে চায় তারা। সেই পরিবর্তনের সঙ্গেই আছি আমরা যেন তৃণমূলের ক্রিকেটাররা আরো এগিয়ে যায়। ’
    এদিকে ক্রিকেটারদের মধ্যে বোর্ডের স্বার্থবিরোধী প্রথম চুক্তিটা করলেন মিচেল স্টার্ক। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে চুক্তি আছে টয়োটার। এই কম্পানির প্রতিদ্বন্দ্বী অডির সঙ্গে ব্যক্তিগত স্পন্সরশিপের চুক্তি করে ফেলেছেন স্টার্ক। তাঁর এজেন্টের যুক্তি, ‘স্টার্ক বোর্ডের বেতনভুক্ত খেলোয়াড় নন, তাই ব্যক্তিগত চুক্তি করতে পারে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। ’ দ্রুত সমাধানে না এলে স্টার্কের মতো অনেকে বোর্ডের সঙ্গে চুক্তি থাকা কম্পানির প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তুলবেন। তখন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া আরো কঠিন হবে বলেই মন্তব্য অস্ট্রেলিয়ান মিডিয়ার।
    গত দুই দশক বোর্ডের আয়ের একটি অংশ ক্রিকেটারদের ভাগ করে দিত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। নতুন প্রস্তাবে সেটা বাদ দিয়ে খেলোয়াড়দের নির্দিষ্ট বেতন কাঠামোয় আনতে চায় তারা। এতে তারকা ক্রিকেটাররা লাভবান হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটাররা অনেক কম টাকা পাবে। স্মিথ মানতে পারছেন না সেটাই। বরং অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রশংসা করে এখানে খেলা ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়ালেন আরো একবার, ‘নিজের ক্যারিয়ার নিয়েই দেখেছি আমি। ২০১১ সালে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর যদি শক্তিশালী ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো কিছু করে না দেখাতাম তাহলে পৌঁছতে পারতাম না আজকের অবস্থানে। নেতা হিসেবে আমি, ওয়ার্নার, ল্যানিং, ব্ল্যাকওয়েলরা যে কারণে লড়ছি সেটা রাজ্য ক্রিকেটারদের ন্যায্য পাওনার জন্য, যারা আমাদের ক্রিকেটের সঙ্গেই সম্পৃক্ত। সবার জন্য বোর্ডের আয়ের ভাগ চাই, কারণ আমাদের ঘরোয়া খেলোয়াড়দের দেখভাল করতে হবে। ’
    স্মিথ লিখেছেন নারী ক্রিকেটারদের নিয়েও। ইংল্যান্ডে চলা বিশ্বকাপে এখনো অপরাজিত বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। যে দাপটে তারা খেলছে তাতে শিরোপা জয় অসম্ভব নয়। কিন্তু দেশে ফিরে ক্রিকেটাররা দেখবেন তাঁরা বেকার! কারণ এই বিশ্বকাপ পর্যন্ত বোর্ডের সঙ্গে চুক্তি তাঁদের। অস্ট্রেলিয়ান ঘরোয়া ক্রিকেটারদের পাশাপাশি নারী খেলোয়াড়দেরও সমান মর্যাদা দেওয়ার পক্ষে স্মিথ, ‘মেয়েদের ক্রিকেটে দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। ওদেরও বোর্ডের আয়ে আমাদের মতো সমান ভাগ পাওয়া উচিত। এখন সময় সব কিছু চূড়ান্ত করার। ক্রিকেটারদের স্বার্থে ছাড় দেওয়া হবে না কোনো। ’ স্মিথের এমন কড়া মন্তব্যের পর কিছুটা নড়ে বসেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। দ্রুত এই অচলাবস্থা কাটাতে তারা আগ্রহী জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে গতকাল, ‘যেকোনো ক্রিকেটারের নিজের মন্তব্যের ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। দ্রুতই একটা সমাধান খুঁজতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি আমরা। ’ এএপি

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad