Header Ads

  • Breaking News

    সাত পাকে বাঁধা পড়লেন সেই রিভলবার রানি!


    ফিল্মি কায়দায় মাথায় রিভলবার ঠেকিয়ে প্রেমিককে ছাদনতলা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া। মে মাসে বুন্দেলখণ্ডের এই ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল। অভিযুক্ত বর্ষা সাহুকে রিভলবার রানি, দাবাং কুইনের মতো নামে ডাকা হচ্ছিল। তথাকথিত রিভলবার রানি এবার বিয়ের পিঁড়িতে। বিয়ে ভণ্ডুল করালেও, প্রেমিককে প্রাথমিকভাবে কাছে পাননি বর্ষা। জেল থেকে গত শুক্রবার ছাড়া পান বর্ষার প্রেমিক। রবিবার একটি মন্দিরে চার হাত এক হয়।
    ভরা বর্ষায়, বর্ষা সাহুর জীবনে প্রেম স্বীকৃতি পেল। দীর্ঘদিনের প্রেমিক অশোক যাদবকে হামিরপুরের একটি মন্দিরে রবিবার বিয়ে করেন বর্ষা। তবে এই বিয়ের প্রেক্ষাপটই আলাদা। গত ১৫ মে উত্তরপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ডে প্রেমিক অশোক যাদবকে বিয়ের আসরে  মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন বর্ষা। এই আনন্দ অবশ্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। বর্ষা ছাড়া পেলেও শ্রীঘর ঠিকানা হয়েছিল অশোকের। প্রেমিকের জামিনের জন্য বর্ষাকে বিস্তর কাঠখড় পোড়াতে হয়।
    অবশেষে গত ৭ জুলাই অশোক জামিন পান। জেল থেকে বেরোনোর পরই অশোককে বিয়ে করার কথা জানিয়েছিলেন বর্ষা। সেইমতো রবিবার হামিরপুরের মাতা চৌরার মন্দিরে তাঁদের বিয়ে হয়। যার সাক্ষী ছিলেন প্রায় ১০০ জন। এমন মুহূর্তের অনুভূতি কেমন। উচ্ছ্বসিত বর্ষা বলছেন, তিনি দারুন আনন্দ পেয়েছেন। এই আয়োজন সহজে হয়নি। হলুদ শাড়িতে আরও যেন উজ্জ্বল লাগছিল বর্ষাকে। আর অশোকের কথায় বর্ষাকে বিয়ে করে সে সুখী। ওই এলাকার শিব সেনার সদস্যরা বিয়ের যাবতীয় বন্দোবস্ত করেন।
    বর্ষার কাণ্ড কারখানা নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হলেও, পাশে ছিল উত্তরপ্রদেশের শিব সেনা। রাজ্য সভাপতি রতন ব্রহ্মচারী জানিয়েছেন, রিভলবার রানি নামে একটি এনজিও তৈরি হয়েছে। যার মাথায় রাখা হয়েছে বর্ষাকে। যারা ভালবাসার স্বীকৃতি দেবে। বর্ষা বলছেন, সমাজের নির্যাতিতা মহিলাদের জন্য তিনি কাজ করবেন। মালাবদল, সাত পাক ঘোরা। যার সাক্ষী ছিল বর্ষার পরিবার। তবে দেখা যায়নি অশোকের বাড়ির কোনও প্রতিনিধিকে।
    সরকারি হাসপাতালের চুক্তিভিত্তিক কর্মী অশোক। গত ৮ বছর ধরে বর্ষার সঙ্গে তাঁর লিভ ইন সম্পর্ক। সে কথা নাকি অশোকের পরিবার জানত। জোর করেই অশোকের পরিবার তাঁকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। বর্ষার তাণ্ডবে তাঁর মেয়ের বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর থানায় অভিযোগ করেছিলেন লালু যাদব নামে এক ব্যক্তি। বর্ষা দাবি ছিল, জবরদস্তি নয়, স্বেচ্ছায় তাঁর সঙ্গে চলে যান প্রেমিক। এবার তাদের একটাই পথ। যেখানে বাধা দেওয়ার আর কেউ রইল না।

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad